তোমাকে একটি নাম তোমাকে একটি নাম দিব
শান্ত নদীর মতো রূপ তার;
অতীব সাধারণ,
প্রাকৃতিক সাজে ভ্রু দুটির ধার;
একটু অন্যরকম।
চুপচাপ, সানন্দা, সরলা,
অপরুপ, অচেনা, অবলা,
মাধ্যমিকা কিশোরী, বালিকা
কৃষ্ণমনি নয়নী, অলীকা,
নিচুস্বরা অবন্তী, নিলীমা,
শুভ্ররঙা, অবনী,মহিমা।।
ছোট্ট সোনাদেহের আধেক পরিমাণ কেশ,
ঢেউ খেলানো, শান্ত-শিষ্ট নদীর মতো বেশ।
কবি-চোখে তার কেশের তরঙ্গ-অদ্ভুত,অশেষ
জীবনানন্দ হয়তো বলতো;অশ্বত্থছায়া বিশেষ
প্রমিত ভাষিক অপচেষ্টা, উপভাষার অসুর
অথচ দুপাটি শ্বেত শুভ্রদাঁত নির্গত সুহাসি নির্ভুল।
হালকা সংবেদনশীল হাতগুলোর সমাপ্তি
মেহেদী রঙিন দশটি আঙুলফুলে,
তার চরন চিরল ঝিঙের মতো আকার
কালো পাদুকার সিলভীদুলে ।।
সে হাসে,ঠোঁট খুলে, মৃদুশব্দ হয় ,
ঝুপ ঝুপ নদী যে কলতানে বয়।
আচ্ছা কন্যা!
একথাটি কি তুমি জানো?
তোমার মুখ আঁকা চন্দন ফুলে।
তুমি কি হাসকুড়ি বিল চিন?
যেখানে শস্যের মতো প্রেম ফলে!
প্রকৃত সুশ্রী তো সে,যে সুন্দরী ঘুমালে।
চন্দন বদনা! ভালোবাসা দিবনা,
কারন উহা কর্পোরেট আজকাল ,
নিবে কি একটি শাশ্বত প্রেমডাল?
নাইবা নিলে উহা,আমিতো নিয়েছি অনেক;
স্মৃতিগ্রন্থে একটি হলুদবসনা শুভ্র পোর্ট্রেট,
কতগুলো হাসির প্লেলিস্ট, চোখের জ্যামিতি,
আলগা শব্দে হাঁটা ,আরো কত কি!,
ওহে নামহীনা!
তোমাকে উপহার দিব একটি নাম!
নামটি হবে চিরযৌবনা নদীর নামে।
আচ্ছা তুমি,আমি এখনতো পদ্মা মাঝে।
এই 'পদ্মা' নামটি কি সাথে করে নেবে? দিব
শান্ত নদীর মতো রূপ তার;
অতীব সাধারণ,
প্রাকৃতিক সাজে ভ্রু দুটির ধার;
একটু অন্যরকম।
চুপচাপ, সানন্দা, সরলা,
অপরুপ, অচেনা, অবলা,
মাধ্যমিকা কিশোরী, বালিকা
কৃষ্ণমনি নয়নী, অলীকা,
নিচুস্বরা অবন্তী, নিলীমা,
শুভ্ররঙা, অবনী,মহিমা।।
ছোট্ট সোনাদেহের আধেক পরিমাণ কেশ,
ঢেউ খেলানো, শান্ত-শিষ্ট নদীর মতো বেশ।
কবি-চোখে তার কেশের তরঙ্গ-অদ্ভুত,অশেষ
জীবনানন্দ হয়তো বলতো;অশ্বত্থছায়া বিশেষ
প্রমিত ভাষিক অপচেষ্টা, উপভাষার অসুর
অথচ দুপাটি শ্বেত শুভ্রদাঁত নির্গত সুহাসি নির্ভুল।
হালকা সংবেদনশীল হাতগুলোর সমাপ্তি
মেহেদী রঙিন দশটি আঙুলফুলে,
তার চরন চিরল ঝিঙের মতো আকার
কালো পাদুকার সিলভীদুলে ।।
সে হাসে,ঠোঁট খুলে, মৃদুশব্দ হয় ,
ঝুপ ঝুপ নদী যে কলতানে বয়।
আচ্ছা কন্যা!
একথাটি কি তুমি জানো?
তোমার মুখ আঁকা চন্দন ফুলে।
তুমি কি হাসকুড়ি বিল চিন?
যেখানে শস্যের মতো প্রেম ফলে!
প্রকৃত সুশ্রী তো সে,যে সুন্দরী ঘুমালে।
চন্দন বদনা! ভালোবাসা দিবনা,
কারন উহা কর্পোরেট আজকাল ,
নিবে কি একটি শাশ্বত প্রেমডাল?
নাইবা নিলে উহা,আমিতো নিয়েছি অনেক;
স্মৃতিগ্রন্থে একটি হলুদবসনা শুভ্র পোর্ট্রেট,
কতগুলো হাসির প্লেলিস্ট, চোখের জ্যামিতি,
আলগা শব্দে হাঁটা ,আরো কত কি!,
ওহে নামহীনা!
তোমাকে উপহার দিব একটি নাম!
নামটি হবে চিরযৌবনা নদীর নামে।
আচ্ছা তুমি,আমি এখনতো পদ্মা মাঝে।
এই 'পদ্মা' নামটি কি সাথে করে নেবে?
জাতে লেখক তালে ঠিক। পৃথিবীর সেলুকাস দেখে হাসি আর হাসতে পারি বলেই বেঁচে আছি। সমাজ,দেশ এবং মানুষ নিয়ে স্বপ্ন দেখি আর সেই স্বপ্নের বিজ্ঞাপন দিয়ে বেড়াই। আজীবন শিক্ষার্থী থাকতে চাই। জীবনের লক্ষ্য হলো নিজেকে জ্ঞানান্বেষী জনতার জন্য একটি জীবন্ত উপকারী লাইব্রেরী হিসেবে তৈরি করা। আজীবন জেনে যাবো আর জানিয়ে যাবো ইহাই আমার ব্রত।
Saturday, 23 February 2019
Monday, 11 February 2019
কবিতা!আমি তোমাকে ভালোবাসি
আজ এই উল্লসিত জনস্রোতের সামনে ,
দুচোখ ছুঁড়ে জনগণের কেন্দ্রবিন্দুতে,
একটি কথা বলে দিতে চাই...
কবিতা! তোমাকে ভালোবাসি।
তুমিই আমার প্রেম,
তোমার ছন্দে নেচে ওঠে আমার প্রেতাত্মা।
তোমার বোকা মাত্রা, পঙ্ক্তি, মঞ্জুরি,সরলিত ভাব, আমাকে ঐতিহাসিক প্রেমিক বানায়।
তাই স্বগোতক্তির মতো আমি বারংবার উচ্চারণ করি-
কবিতা! আমি তোমাকে ভালোবাসি! ভালোবাসি।।
আজ এই উল্লসিত জনস্রোতের সামনে ,
দুচোখ ছুঁড়ে জনগণের কেন্দ্রবিন্দুতে,
একটি কথা বলে দিতে চাই...
কবিতা! তোমাকে ভালোবাসি।
তুমিই আমার প্রেম,
তোমার ছন্দে নেচে ওঠে আমার প্রেতাত্মা।
তোমার বোকা মাত্রা, পঙ্ক্তি, মঞ্জুরি,সরলিত ভাব, আমাকে ঐতিহাসিক প্রেমিক বানায়।
তাই স্বগোতক্তির মতো আমি বারংবার উচ্চারণ করি-
কবিতা! আমি তোমাকে ভালোবাসি! ভালোবাসি।।
Friday, 10 August 2018
কবিতা: পদব্রজ
আমি আজকের মতো কোনো উত্তপ্ত বিকেলে,
দু'ধারে ইট বালুর স্তুপ করা পথে হেঁটে চলেছি।
এ সেই শহর, যেখানে আমি জন্মেছিলাম, কিন্তু
আজ রাস্তার কাউকে আমি চিনি না, আমাকেও না ।
একাধিক মাথা-উঁচু করার চেষ্টা,আকাশ দেখা যায়নি,
মাটির বুকে ইমারতের মতো কিছু টিউমার দেখেছি।।
হাঁটতে হাঁটতে যখন সামনে এগিয়ে, তখন
দেখলাম, অনেক কঁচু গাছের সমাবেশ ।
দুচোখের স্টেরোস্কোপিক দৃষ্টিতে অনেক কাগজ, ফেস্টুন, সাইনবোর্ড,ব্যানার,ফলক,গ্রাফিতি ইত্যাদি।
পোস্টারে সনদপ্রাপ্ত ভালো মানুষের মিছিল দেখলাম,
যারা সবাই সৎ,যোগ্য,গরীবের বন্ধু এবং জনদরদী,
কিন্তু তাদের সাইনবোর্ড থেকে রক্তের আঁশটে গন্ধ।
পথের ধারে শহরের একমাত্র বিলাসকেন্দ্র,
নাম ঝাউতলা, সেখানে বিবিধশ্রেনীর; দরিদ্র, হতদরিদ্র,মধ্যবিত্ত,উচ্চবিত্ত প্রেমের নিদর্শন
হঠাৎ দেখলাম জেলখানার পুরোনো দেয়ালে
সবুজ কিছু লতা এবং গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ।
অলি থেকে গলি ,এ লেন থেকে ও লেন,
সারা শহরের স্বাদ নিয়ে মনক্ষুণ্ণ হলাম,
কারণ খুঁজে পেলাম না,একটি চিন্তাবিদ রামছাগল!
তবে এখানে ভুখাপেটো রিক্সাওয়ালার মুখেও
তবে এখানে ভুখাপেটো রিক্সাওয়ালার মুখেও
রাজনীতির অতীত, ভবিষ্যতে এবং দর্শন আলোচিত
অতঃপর নিয়নরঙা আলোর মতো কষ্ট নিয়ে
প্রত্যাবর্তন করলাম, মানুষের বাসা নামক ছাগলের খোঁপে।।
Monday, 30 July 2018
কবিতা: তোমাকে একটি নাম দিব
তোমাকে একটি নাম দিব
শান্ত নদীর মতো রূপ তার;অতীব সাধারণ,
প্রাকৃতিক সাজে ভ্রু দুটির ধার;
একটু অন্যরকম।
চুপচাপ, সানন্দা, সরলা,
অপরুপ, অচেনা, অবলা,
মাধ্যমিকা কিশোরী, বালিকা
কৃষ্ণমনি নয়নী, অলীকা,
নিচুস্বরা অবন্তী, নিলীমা,
শুভ্ররঙা, অবনী,মহিমা।।
ছোট্ট সোনাদেহের আধেক পরিমাণ কেশ,
ঢেউ খেলানো, শান্ত-শিষ্ট নদীর মতো বেশ।
কবি-চোখে তার কেশের তরঙ্গ-অদ্ভুত,অশেষ
জীবনানন্দ হয়তো বলতো;অশ্বত্থছায়া বিশেষ
প্রমিত ভাষিক অপচেষ্টা, উপভাষার অসুর
অথচ দুপাটি শ্বেত শুভ্রদাঁত নির্গত সুহাসি নির্ভুল।
হালকা সংবেদনশীল হাতগুলোর সমাপ্তি
মেহেদী রঙিন দশটি আঙুলফুলে,
তার চরন চিরল ঝিঙের মতো আকার
কালো পাদুকার সিলভীদুলে ।।
সে হাসে,ঠোঁট খুলে, মৃদুশব্দ হয় ,
ঝুপ ঝুপ নদী যে কলতানে বয়।
আচ্ছা কন্যা!
একথাটি কি তুমি জানো?
তোমার মুখ আঁকা চন্দন ফুলে।
তুমি কি হাসকুড়ি বিল চিন?
যেখানে শস্যের মতো প্রেম ফলে!
প্রকৃত সুশ্রী তো সে,যে সুন্দরী ঘুমালে।
চন্দন বদনা! ভালোবাসা দিবনা,
কারন উহা কর্পোরেট আজকাল ,
নিবে কি একটি শাশ্বত প্রেমডাল?
নাইবা নিলে উহা,আমিতো নিয়েছি অনেক;
স্মৃতিগ্রন্থে একটি হলুদবসনা শুভ্র পোর্ট্রেট,
কতগুলো হাসির প্লেলিস্ট, চোখের জ্যামিতি,
আলগা শব্দে হাঁটা ,আরো কত কি!,
ওহে নামহীনা!
তোমাকে উপহার দিব একটি নাম!
নামটি হবে চিরযৌবনা নদীর নামে।
আচ্ছা তুমি,আমি এখনতো পদ্মা মাঝে।
এই 'পদ্মা' নামটি কি সাথে করে নেবে?
Monday, 2 July 2018
কবিতাঃসামাজিক শল্যচিকিৎসা
আজকাল আমি আতঙ্কিত,
অল্পবিস্তর অতি ভীতসন্ত্রস্ত,
শুনেছি জীবাণুতে ঢাকা পড়েছে রাষ্ট্রযন্ত্র,
চোখ খুললেই দেখি পূর্ণদৈর্ঘ্য সর্ষে ফুলের ক্ষেত ।
আমার সাধের ফুলবাগানে কারা ওই চোষক?
কালো পোকা;যারা এতদিন মরাশকুনের রক্ত
খেয়ে,পরম আল্হাদিত হয়ে অতিতৃপ্ত ছিলো।
সমাজের শল্যচিকিৎসা দরকার; জরায়ু টিউমার,
আচ্ছা মানুষ কোথায়?সবইতো সংক্রামক টিউমারের মতো অভিনেতা-অভিনেত্রী।।
Friday, 22 June 2018
ছড়াঃসেলুকাস
"সেলুকাস"
ভেঙে ইটের কোনা
আমরা বলি ধ্বসিয়েছি উঁচু দেয়াল।
পুটির পুচ্ছ ধরে
বলি এই দেখো হাঙরের চোয়াল।
জোনাকির পশ্চাত দেখে
বুলি দেই অম্বরে নক্ষত্র হেরেছি।
লিখে দেড় লাইন ছন্দ
বলি এ যুগের রবি ঠাকুর হয়েছি।
নিজের বিন্দুকে সিন্ধু বলতে নেই কোন দ্বিধা
অপরের প্রশংসার সময় পেটে লাগে ক্ষিধা।
দাদাভাই! নিজের বেলায়তো ষোলআনা
অন্যের বেলায় কেন তুমি এত আনমনা?
উত্তরে দাদাভাইর একটাই জবাব
"বুঝবেনা, বুঝবেনা, ইহাই সেলুকাস।"
কবিতাঃ কংক্রিটের রসায়ন
"কংক্রিটের রসায়ন"
ভেবেছিলাম দেখবো আকাশ, দুচোখ মেলে।
গালভরা হাসবো আমি, প্রাণের জানালা খুলে।
আকাশে চাঁদ উঠে, রবির কিরণ শশীতে মিলায়।
দিনে দিনে অযত্নে জানালার মরিচার বেধ বেড়ে যায়।
অতঃপর স্বার্থ আর শীল-পাটা সম্পর্কের খেলা,
অদ্ভুত আর উদ্ভটতার ছায়ামেঘে কেটে যায় বেলা।
এ শহরে সজীব আত্মা মুমূর্ষে রূপ নেয়,
কালান্তরে সে পৈশাচিক আনন্দ দেয়।
কিন্ত আমি অসম্পূর্ণ বিক্রিয়ার উপজাত,
আমি অকৃতকার্য কংক্রিটের রসায়নে।
আমি মুক্তি চাই বাঁধা দেয়ালহীন কারাগারে
মুক্তিতো মিলবে একদিন তবে তা চিরতরে।
Subscribe to:
Comments (Atom)





