Saturday, 23 February 2019

তোমাকে একটি নাম তোমাকে একটি নাম দিব

       শান্ত নদীর মতো রূপ তার;
                  অতীব সাধারণ,
        প্রাকৃতিক সাজে ভ্রু দুটির ধার;
                 একটু অন‍্যরকম।

            চুপচাপ, সানন্দা, সরলা,
            অপরুপ, অচেনা, অবলা,
            মাধ‍্যমিকা কিশোরী, বালিকা
            কৃষ্ণমনি নয়নী, অলীকা,
            নিচুস্বরা অবন্তী, নিলীমা,
             শুভ্ররঙা, অবনী,মহিমা।।

ছোট্ট সোনাদেহের আধেক পরিমাণ কেশ,
ঢেউ খেলানো, শান্ত-শিষ্ট নদীর মতো  বেশ।
কবি-চোখে তার কেশের তরঙ্গ-অদ্ভুত,অশেষ
জীবনানন্দ হয়তো বলতো;অশ্বত্থছায়া বিশেষ
প্রমিত ভাষিক অপচেষ্টা, উপভাষার  অসুর
অথচ দুপাটি শ্বেত শুভ্রদাঁত নির্গত সুহাসি নির্ভুল।
হালকা সংবেদনশীল হাতগুলোর সমাপ্তি
মেহেদী রঙিন দশটি আঙুলফুলে,
তার চরন  চিরল ঝিঙের মতো আকার
কালো পাদুকার সিলভীদুলে ।।

সে হাসে,ঠোঁট খুলে, মৃদুশব্দ হয় ,
ঝুপ ঝুপ নদী যে কলতানে বয়।

আচ্ছা কন‍্যা!
একথাটি কি তুমি জানো?
তোমার মুখ আঁকা চন্দন ফুলে।
তুমি কি হাসকুড়ি বিল চিন?
যেখানে শস‍্যের মতো প্রেম ফলে!
প্রকৃত সুশ্রী তো সে,যে সুন্দরী ঘুমালে।
চন্দন বদনা! ভালোবাসা দিবনা,
কারন উহা কর্পোরেট আজকাল ,
নিবে কি একটি শাশ্বত প্রেমডাল?
নাইবা নিলে উহা,আমিতো নিয়েছি অনেক;
স্মৃতিগ্রন্থে একটি হলুদবসনা শুভ্র পোর্ট্রেট,
কতগুলো হাসির প্লেলিস্ট, চোখের জ‍্যামিতি,
আলগা শব্দে হাঁটা ,আরো কত কি!,

ওহে নামহীনা!
তোমাকে উপহার দিব একটি নাম!
নামটি হবে চিরযৌবনা নদীর নামে।
 আচ্ছা তুমি,আমি এখনতো পদ্মা মাঝে।
এই  'পদ্মা' নামটি কি সাথে করে নেবে? দিব

       শান্ত নদীর মতো রূপ তার;
                  অতীব সাধারণ,
        প্রাকৃতিক সাজে ভ্রু দুটির ধার;
                 একটু অন‍্যরকম।

            চুপচাপ, সানন্দা, সরলা,
            অপরুপ, অচেনা, অবলা,
            মাধ‍্যমিকা কিশোরী, বালিকা
            কৃষ্ণমনি নয়নী, অলীকা,
            নিচুস্বরা অবন্তী, নিলীমা,
             শুভ্ররঙা, অবনী,মহিমা।।

ছোট্ট সোনাদেহের আধেক পরিমাণ কেশ,
ঢেউ খেলানো, শান্ত-শিষ্ট নদীর মতো  বেশ।
কবি-চোখে তার কেশের তরঙ্গ-অদ্ভুত,অশেষ
জীবনানন্দ হয়তো বলতো;অশ্বত্থছায়া বিশেষ
প্রমিত ভাষিক অপচেষ্টা, উপভাষার  অসুর
অথচ দুপাটি শ্বেত শুভ্রদাঁত নির্গত সুহাসি নির্ভুল।
হালকা সংবেদনশীল হাতগুলোর সমাপ্তি
মেহেদী রঙিন দশটি আঙুলফুলে,
তার চরন  চিরল ঝিঙের মতো আকার
কালো পাদুকার সিলভীদুলে ।।

সে হাসে,ঠোঁট খুলে, মৃদুশব্দ হয় ,
ঝুপ ঝুপ নদী যে কলতানে বয়।

আচ্ছা কন‍্যা!
একথাটি কি তুমি জানো?
তোমার মুখ আঁকা চন্দন ফুলে।
তুমি কি হাসকুড়ি বিল চিন?
যেখানে শস‍্যের মতো প্রেম ফলে!
প্রকৃত সুশ্রী তো সে,যে সুন্দরী ঘুমালে।
চন্দন বদনা! ভালোবাসা দিবনা,
কারন উহা কর্পোরেট আজকাল ,
নিবে কি একটি শাশ্বত প্রেমডাল?
নাইবা নিলে উহা,আমিতো নিয়েছি অনেক;
স্মৃতিগ্রন্থে একটি হলুদবসনা শুভ্র পোর্ট্রেট,
কতগুলো হাসির প্লেলিস্ট, চোখের জ‍্যামিতি,
আলগা শব্দে হাঁটা ,আরো কত কি!,

ওহে নামহীনা!
তোমাকে উপহার দিব একটি নাম!
নামটি হবে চিরযৌবনা নদীর নামে।
 আচ্ছা তুমি,আমি এখনতো পদ্মা মাঝে।
এই  'পদ্মা' নামটি কি সাথে করে নেবে?

Monday, 11 February 2019

কবিতা!আমি তোমাকে ভালোবাসি

আজ এই উল্লসিত জনস্রোতের সামনে ,
দুচোখ ছুঁড়ে জনগণের কেন্দ্রবিন্দুতে,
একটি কথা বলে দিতে চাই...
কবিতা! তোমাকে ভালোবাসি।
তুমিই আমার প্রেম,
তোমার ছন্দে নেচে ওঠে আমার প্রেতাত্মা।
তোমার বোকা মাত্রা, পঙ্ক্তি, মঞ্জুরি,সরলিত ভাব, আমাকে ঐতিহাসিক প্রেমিক বানায়।
তাই স্বগোতক্তির মতো আমি বারংবার উচ্চারণ করি-
কবিতা! আমি তোমাকে ভালোবাসি! ভালোবাসি।।